প্রবাসীর ঘরে ফেরা ঋণ অনুমোদন পেল | জমির দলিল ছাড়া প্রবাসীদের লোন | প্রবাসীলোন নিতে কি কি লাগে

বিদেশ ফেরত এসেছেন হাতের সামান্য কিছু টাকা রয়েছে, আরও টাকার প্রয়োজন ব্যবসা করার জন্য। হাতের সামান্য পুজি দিয়ে হয়তো বা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন, ব্যবসাটাকে আরো রানিং করার জন্য বা মজবুত করার জন্য আরো কিছু টাকার প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অগ্রণী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড প্রবাসী ঘরে ফেরা ঋণ আপনার পাশে রয়েছে

যেসব খাতে এ ঋণ দেওয়া হয়

১) কৃষি খাত
২) অকৃষি খাত
৩) ব‍্যানিজিক খাত

ঋণের সীমা

ইউনিয়ন বা গ্রামঅঞ্চলে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ ৫ লাখ এবং শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন দেয়া হচ্ছে।

প্রবাসীর যা প্রয়োজন

১) আবেদনকারীর পাসপোর্ট এর বহির্গমন ও আগমনের সীল যুক্ত পাতা।

২) আবেদনকারীর বিএমইটি’র স্মার্ট কার্ড বা ওয়েজ এয়ারনের কল‍্যান বোডের কার্ড

৩) চাকরিরত দেশের আইডি কার্ড এর ফটোকপি বা বৈধ পথে বিদেশ গমণের প্রমাণপত্র বা বিদেশে চাকরির চুক্তিপত্র বৈধ প্রমাণপত্র। যা WorkParmit হিসেবে চিনে থাকি।

৪) ভিসার ফটোকপি

ভিসা, পাসপোর্ট, work parmit এর মেয়াদ নাও থাকলে চলবে।

ঋণের মেয়াদ

প্রবাসীরা ৩ বছর মেয়াদে ৩৬ মাসিক কিস্তিতে এই লোন পরিশোধ করার সময় পাবেন।

বিশেষ যোগ্যতা

অগ্রণী ব্যাংকের লোন পেতে হলে প্রবাসীদের প্রবাসে কর্মরত থাকা অবস্থায় অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজের মাধ্যমে দেশে বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণ করতে হবে, যার ফলে রেমিট্যান্স প্রেরণ রেকর্ড থাকবে ।

গুরুত্বপূর্ণ ত‍থ‍্য

১) এই ঋণের জন‍্য বিনামূল্যে ব্যাংকের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে

২) আবেদনকারীর সদ্য তােলা ০৩ (তিন) কপি পাসপাের্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্র/ পাসপাের্ট প্রযােজ্য
ক্ষেত্র জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি;

৩) গ্যারান্টরের সদ্য তােলা ০২ (দুই) কপি পাসপাের্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্র/ পাসপাের্ট প্রযােজ্য ক্ষেত্রে
জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি;

৪) যেহেতু ব‍্যবসা শুরু করেছেন, তাই ট্রেড লাইসেন্স থাকবে, হালনাগাদ এই ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে ব্যাংক

সুদ

সুদের হার ৭% ,আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একেবারে সহজ শর্তেই ঋণ দিচ্ছে এই ব্যাংক। বাড়ি কিংবা জমির দলিল এবং কোনো জামানত ছাড়াই সহজেই লোন পেতে পারেন যেকোনো প্রবাসী।

Leave a Comment

error: Content is protected !!